আজ আপনাদেরকে মানবধর্ম ভিত্তিক আত্মবিকাশ বা মনোবিকাশ মূলক তথা মানববিকাশ মূলক যুগান্তকারী একটি নতুন ধর্মের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে প্রয়াসী হয়েছি। যুগসন্ধিকালের এই তীব্র সংকটাবস্থায়, মনুষ্যকৃত অধিকাংশ জটিল সমস্যার মূল— অজ্ঞানতা-অন্ধত্বকে দূর করে, আমাদের আত্মবিকাশমুখি মৌলিক ধর্ম— মানবধর্মকে পুণঃপ্রতিষ্ঠিত করতে, সময়ের চাহিদামতোই, আত্মপ্রকাশ করেছে একটি নতুন ধর্ম। ধর্মটির নাম — মহাধর্ম।

প্রথম অধ্যায়
'ধর্ম' কী ও কেন
যেমন জলের ধর্ম— আগুনের ধর্ম, তেমনই জীবের ক্ষেত্রে ‘ধর্ম’ হলো— তার সহজ আচরণ বা স্বভাবধর্ম। মানুষের ক্ষেত্রে কিছু পার্থক্য আছে। মানুষ তার স্বভাবধর্ম— সহজ আচরণের মধ্য দিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্রমশ জ্ঞান-অভিজ্ঞতা ও চেতনা লাভের মধ্য দিয়ে— মনোবিকাশের পথ ধরে এগিয়ে গিয়ে— একসময় মানবত্ব লাভ করে। পূর্ণবিকশিত মনের মানুষ হয়ে ওঠে। মানব-মনের বিকাশ-পথ ধরে এগিয়ে চলাই হলো— মানবধর্ম।
‘ধর্ম’ মানে অন্ধ-বিশ্বাসে— কাল্পনিক কোনকিছুর পিছনে অথবা কোনকিছু লাভের পিছনে ছুটে চলা নয়। ‘ধর্ম’ মানে অজ্ঞান-অন্ধের মতো কোনকিছু মেনে চলা, কোনো আচার-আচরণ করা, কাল্পনিক ঈশ্বরের উপাসনা করা, অথবা কারো কোনো দুরভিসন্ধিমূলক নির্দেশ পালন করা নয়। ‘ধর্ম’ নামে এইরূপ কোনো ব্যবস্থা যদি মানুষের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়, অথবা আরোপ করা হয়, —তা’ ধর্ম নয়, —অধর্ম।
এই প্রসঙ্গে আরোপিত ধর্মের কথা এসেই যায়। এক্ষেত্রে (আরোপিত) ‘ধর্ম’ হলো তা’ই, —যাকে বা যে ব্যবস্থাকে গ্রহণ ও ধারণ ক’রে একজন মানুষ স্বচ্ছন্দে এবং দ্রুততার সঙ্গে সুস্থতা লাভসহ মানব-মনের তথা চেতনার বিকাশ ঘটিয়ে মানবত্ব লাভে সক্ষম হতে পারে, তা-ই হলো মানুষের প্রকৃত ধর্ম— (আরোপিত) মানবধর্ম।
মানুষ ব্যতীত অন্যান্য জীবের ক্ষেত্রে— তাদেরকে কোনো ধর্ম গ্রহণ ও তা’ ধারণ-পালন করতে হয়না। তা’ তাদের মধ্যে স্বভাবতই কার্যকর থাকে। তাহলে, মানুষের ক্ষেত্রে নতুন ক’রে ধর্ম গ্রহণ ও পালনের কথা আসছে কেন?! আসছে এই কারণে— মানুষের ক্ষেত্রে ‘মানবধর্ম’ তার সহজ ও স্বভাবধর্ম হলেও, অভিসন্ধিমূলকভাবে তার উপরে অন্য বা অন্যান্য কৃত্রিম ধর্ম— বিশ্বাসমূলক ধর্ম আরোপিত হওয়া অথবা চাপিয়ে দেওয়ার ফলে, সে তার আত্মবিকাশমূলক সহজ ও স্বভাবধর্ম থেকে বিচ্যুত হয়ে— বিপথগামী হয়ে পড়েছে। এখন, তাকে তার স্বধর্মে— মানবধর্মে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে, মানবধর্ম ভিত্তিক একটি নতুন ধর্মের একান্ত প্রয়োজন। এই নতুন ধর্মই হলো— মহাধর্ম।
মহাধর্ম : সারকথা
মহাধর্ম হলো আসলে মানবধর্ম। আমাদের মূলগত— প্রাথমিক ধর্ম। আত্ম-বিকাশ তথা মানব-বিকাশের জন্য অনুশীলনীয় ধর্ম। শ্রেষ্ঠতর জীবনলাভের নিশ্চিত উপায়।
সারকথা— “তোমার একটি সচেতন মন আছে বলেই— তুমি মানুষ। তবে তোমার এই (সচেতন) মনটি এখনও যথেষ্ট বিকশিত নয়। যথেষ্ট বিকশিত একজন মানুষ হয়ে উঠতে— তোমার এই মনটির বিকাশ ঘটানো আবশ্যক। আর এটাই তোমার প্রাথমিক ধর্ম।”
“তুমি একজন মানুষ রূপে জন্ম গ্রহন করেছ, তাই তোমার জীবনের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হলো— পূর্ণবিকশিত মানুষ হয়ে ওঠা। জীবনের লক্ষ্যসহ— নিজেকে এবং এই জাগতিক ব্যবস্থাকে জানতে, সর্বদা সজাগ—সচেতন থাকতে চেষ্টা কর। নিজেকে প্রকৃত ও সর্বাঙ্গীন বিকশিত মানুষ ক’রে তুলতে উদ্যোগী হও।”
10 Oct 2020
ধর্ম কী ও কেন
যেমন জলের ধর্ম— আগুনের ধর্ম, তেমনই জীবের ক্ষেত্রে ‘ধর্ম’ হলো— তার সহজ আচরণ বা স্বভাবধর্ম। মানুষের ক্ষেত্রে কিছু পার্থক্য আছে। মানুষ তার স্বভাবধর্ম— সহজ আচরণের মধ্য দিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্রমশ জ্ঞান-অভিজ্ঞতা ও চেতনা লাভের মধ্য দিয়ে— মনোবিকাশের পথ ধরে এগিয়ে গিয়ে— একসময় মানবত্ব লাভ করে। পূর্ণবিকশিত মনের মানুষ হয়ে ওঠে। মানব-মনের বিকাশ-পথ ধরে এগিয়ে চলাই হলো— মানবধর্ম।
10 Oct 2020
সদগুরু~ মহর্ষি মহামানোসের অণু-বাণী
মহর্ষি মহামানস প্রকৃত মানববিকাশের লক্ষ্যে নিয়োজিত একালের একজন মহাঋষি।
10 Oct 2020
বিমূর্ত মানবধর্মের মূর্ত রূপই হলো~ মহাধর্ম
একজন মানুষ রূপে, আমরা প্রত্যেকেই একটি সহজ ধর্ম নিয়ে জন্ম গ্রহণ করে থাকি, তা' হলো~ মানবধর্ম। কিন্তু সমাজ-সংসার সেই মানবত্বলাভ মুখী স্ব-বিকাশমূলক স্বাভাবিক ধর্ম থেকে আমাদেরকে বিচ্যুত করে--- বিপথগামী ক'রে, কোনো একটি বিশ্বাস ভিত্তিক ধর্ম নামক অধর্ম আমাদের উপর আরোপ ক'রে বা চাপিয়ে দেওয়ার ফলে, আমরা স্বতঃস্ফূর্ত মনোবিকাশের পথ থেকে সরে এসে অন্ধের মতো গড্ডালিকা প্রবাহে ভেসে চলেছি।
এইভাবে হাজার হাজার বছর ধরে চলতে চলতে আজ আমরা মানবজীবনের মূল লক্ষ্য~ পূর্ণ বিকশিত মানুষ হয়ে ওঠার লক্ষ্য থেকে বহুদূরে সরে এসেছি। এতদিনে স্বাভাবিকভাবে যতটা মনোবিকাশ তথা মানববিকাশ হওয়ার ছিল, তার কিয়দংশ বিকাশও হয়ে ওঠেনি আজ।
10 Oct 2020
মানব ধর্মই মহাধর্ম
শুরুতেই, কবির একটা বাণী মনে পড়ে গেল। ‘জন্মিলে মরিতে হবে— অমর কে কোথা কবে’। শুধু উদ্ভিদ আর জীব জগতেই নয়, সমস্ত ক্ষেত্রেই, মায় মহাবিশ্ব পর্যন্ত, যার জন্ম হয়েছে— তার মৃত্যু হবে। যার শুরু আছে— তার শেষ আছে। সৃষ্টি হলেই একসময় তার ধ্বংস অনিবার্য।
ধর্মের ক্ষেত্রেও সেই এককথা। প্রচলিত সমস্ত ধর্মগুলি এক এক সময়— এক একজন বা কয়েকজনের দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। আবার পূর্বনির্ধারিত ভাবেই যখন যার শেষ হবার— শেষ হয়ে যাবে।
আচ্ছা? —একবারও কি আপনাদের মনে হয়না, আপনারা যে— যে ধর্ম অনুসরণ করে চলেছেন, সেই সেই ধর্মের স্রষ্টা যে বা যাঁরা— তাঁদের ধর্ম কি ছিলো?! তাঁদের পিতা— প্রপিতার ধর্ম কি ছিলো? তাঁদের পূর্বাদিপূর্ব মানুষদের ধর্ম কি ছিলো?!
9 Oct 2020
একটি নতুন ধর্ম— প্রকৃত মানব-বিকাশের জন্য
আজ আপনাদেরকে মানবধর্ম ভিত্তিক আত্মবিকাশ বা মনোবিকাশ মূলক তথা মানববিকাশ মূলক যুগান্তকারী একটি নতুন ধর্মের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে প্রয়াসী হয়েছি। যুগসন্ধিকালের এই তীব্র সংকটাবস্থায়, মনুষ্যকৃত অধিকাংশ জটিল সমস্যার মূল— অজ্ঞানতা-অন্ধত্বকে দূর করে, আমাদের আত্মবিকাশমুখি মৌলিক ধর্ম— মানবধর্মকে পুণঃপ্রতিষ্ঠিত করতে, সময়ের চাহিদামতোই, আত্মপ্রকাশ করেছে একটি নতুন ধর্ম। ধর্মটির নাম — মহাধর্ম।
বিমূর্ত মানব ধর্মের মূর্ত রূপই হলো 'মহাধর্ম'
Contact মানবধর্মই মহাধর্ম
Guest appearances
Does not typically book guests
Based on episode analysis; this does not confirm that the show is currently accepting guests.
Host of মানবধর্মই মহাধর্ম?
Claim your podcast to manage its listing and keep your show details accurate.
Pod Engine is an independent podcast discovery and analytics service and is not affiliated with or endorsed by this podcast. Artwork and show content belong to their owners. Full legal notice.
Explore this show Podcast research with Pod Engine